১৬ বছরের কিশোর ৫০ বছরের আন্টিকে যা করলেন। দেখলে মাথা ঘুরবে আপনার।
বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর। এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং

আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।
প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

কোন সময় সহবাস করলে ৫ টি সুবিধা পাবেন জেনে রাখুন
জানতে হবে! কোন সময় সহবাস করলে স্ত্রীরা অধিক সুখী হয়! এ সময়ে সহবাস করলে স্বামী স্ত্রী যে ৫ টি সুবিধা পাবেন।দেখুন।।

যৌনমিলন যে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটি হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি করে অত্যন্ত তৃপ্তিমূলক উপায়ে। স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট জানিয়েছে সকালে যৌনমিলনের বেশ কয়েকটি উপকারি দিক।

– প্রথমত, সকালে ক্লান্তিভাব থাকে না। মাত্র ঘুম থেকে ওঠার কারণে মাথা ঝিমঝিম ভাব থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে আরামদায়ক এবং সহজ ‘সেক্স পজিশন’গুলো বেছে নিতে হবে। ফলে দিনের শুরুটাও সুন্দর হবে।

– সকালের সঙ্গম বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়। পাশাপাশি এসময় শারীরিক ও মানসিকভাবে উভয়ই সতেজ থাকে। ফলে শরীরে ঘামের দুর্ঘন্ধ, বাইরের ধুলাবালি থাকার সম্ভাবনা নেই, নেই মানসিক চাপও। আর সঙ্গম শেষে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকার ফলে তৃপ্তি বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।

– সকালে যৌনমিলনের কারণে শরীরে ‘অক্সিটোসিন’ নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা আপনাকে উষ্ণতার স্পর্শ দেয়। অর্থাৎ সঙ্গমের পর সুখকর অনুভূতির রয়েছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি।

– সকালের যৌনমিলন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। এটি শরীরের ‘আইজিএ’ নামক একটি ‘অ্যান্টিবডি’কে সক্রিয় করে যা আমাদের বিভিন্ন রোগবালাই থেকে রক্ষা করে।

– এছাড়া সকালে পুরুষের ক্ষমতা এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা থাকে সর্বোচ্চ। তাই এসময় পুরুষের স্থায়িত্ব বেশি হয়। পাশাপাশি, সঙ্গমের তৃপ্তি থেকে আপনার পুরুষ সঙ্গী বাসার খুঁটিনাটি কাজগুলো করে দিতে পারে।

তাই এলার্ম ঘড়িকে বিদায় জানান। আর সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের জন্য উৎসুক হয়ে ঘুম থেকে উঠুন। শুভ হোক আপনাদের সকাল।
অভিনব উপায়ে ৫ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন এক যুবতী। রেডিও পোস্টে এই ঘটনার বিবরণও দিয়েছেন তিনি। এরপরই বিশ্বজুরে পোস্টটি ভাইরাল। কিন্তু কী এমন করলেন তিনি?

পোস্টটিতে যুবতী লিখেছেন, সম্প্রতি তিনি জানতে পেরেছেন পাচ বছরের সম্পর্কে তিনি প্রতারিত হয়েছেন প্রেমিকের দ্বারা। এও জানতে পেরেছেন, তাঁর অনুপস্থিতিতে বাড়িতে ওই যুবক তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকাকে নিয়ে আসেন। এমনকী তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও তৈরি হয়েছে নতুন করে। এরপরই তিনি সিদ্ধান্ত নেন প্রেমিককে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার।

দিন কয়েক আগে ওই যুবতী আগে থেকে না জানিয়েই প্রেমিকের বাড়িতে হাজির হন। নিশ্বঃব্দে বাড়িতে ঢুকে প্রেমিকের জন্য ব্রেকফাস্ট তৈরি করেন এবং কিচেনে তাঁর(প্রেমিকের) পছন্দের একটি ভিডিও গেমও রেখে আসেন। এরপরই ওই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।

অপেক্ষা করতে থাকেন নিজের গাড়িতে। কার্যত সেখানে বসেই প্রেমিকের সঙ্গে সমস্ত রকম সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ফোন ও অন্যান্য জায়গায় ওই যুবককে ব্লক করে দেন।

এমনকী নিজের আত্মীয়দেরকেও জানিয়ে দেন কোনও ভাবে যেন তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা না হয়। সবশেষে ওই শহর ছেড়ে অন্যত্র চাকরি নিয়ে চলে যান তিনি। বদলে দেন নিজের নম্বরটিও।

গোটা ঘটনার কথা রেডিট পোস্টে জানান ওই যুবতী। তিনি লিখেছেন, ঝগড়া বা মারামারি করে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইনি আমি। তাই ‘ঘোস্টিং’-এর পথই বেছে নিলাম(এই ধরনের কাজকে ইংরাজিতে ঘোস্টিং বলা হয়।)।
ছেলেকে নিয়ে এবার নতুন করে চিন্তিতায় পড়েছেন শ্রাবন্তী। কিন্তু কেন জানেন?
চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। তার চিন্তাটা ছেলে অভিমন্যু বা ঝিনুককে নিয়ে। তা কি এমন করল ১২ বছরের ঝিনুক?

আনন্দলোক জানায়, না, ঝিনুক দুষ্টুমি সে করেনি। শ্রাবন্তী চিন্তায় পড়ে গিয়েছে ছেলের উচ্চতা নিয়ে।

‘মাত্র ১২ বছর বয়সেই পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চি হাইট! কী যে হবে।’ ছেলে যে ভবিষ্যতে নায়ক হতেই পারে, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিলেন না তিনি। ‘এই হাইট নিয়ে নায়িকা পাবে কী করে কে জানে?’

সম্প্রতি যিশু সেনগুপ্ত ও তার মেয়ে সারার সঙ্গে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রাবন্তী। হাসতে-হাসতে এ নায়িকা বলছিলেন, ‘এই তো আমি আজ যিশুদার সঙ্গে কাজ করছি। কয়েক বছর পর হয়তো ঝিনুক আর সারা সিনেমা করবে। আর আমি গম্ভীর মুখে ইন্টারভিউ দেব, ওদের নিয়ে।’

২০১৬ সালে শাকিব খানের বিপরীতে ‘শিকারি’তে অভিনয় করেন শ্রাবন্তী। সিনেমাটি বাংলাদেশে বেশ ভালো ব্যবসা করেছে। এ নায়িকার হাতে থাকা নতুন সিনেমা হলো— নবজীবন বীমা কোম্পানী, বীরপুরুষ ও জিও পাগলা।

আরো…

নারীর দিকে তাকালেই শাস্তি!

…..

কোনো নারীর দিকে কোনো পুরুষ ১৪ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকলেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এরকমই এক ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের কেরালা রাজ্যের আবগারি কমিশনার, ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসের অফিসার ঋষি রাজ সিংয়।

এই মন্তব্যের সময়ে সেখানেই ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া মন্ত্রী ই পি জয়রাজনও। তবে মন্ত্রী সবার সামনেই বলেন, এরকম কোনো আইন নেই। মস্তিষ্কপ্রসূত এক আইনের ধারার কথা উল্লেখ করছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা!

আইনজীবীরাও জানান, এরকম কোনো আইনের ধারাই ভারতে নেই, যাতে শুধু কোনো নারীর দিকে তাকিয়ে থাকলেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।
ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আগে কোচি শহরে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে ভাষণ দিতে গিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা এমন মন্তব্য করেন। সেই খবর স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

যোগাযোগ করলে বিবিসি বাংলা-কে তিনি বলেন, ‘আমি সেদিন যা বলেছিলাম, এখনও সেটাই বলব। আর শুধু ১৪ সেকেন্ড কেন, তার কম সময়ের জন্যও যদি কোনো পুরুষ কোনো নারীর দিকে তাকিয়ে থাকেন, যাতে ওই নারীর অস্বস্তি হতে পারে, তাহলেও সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
তার মতে, ‘ধর্ষণ আর নারীদের হয়রানি রুখতে ২০১৩ সালে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে, সেই অনুযায়ী এরজন্য জেলও হতে পারে।’

ভারতীয় দণ্ডবিধিতে ৩৫৪ সি এবং ৩৫৪ ডি বলে যে দুটি ধারা যুক্ত হয়েছে ২০১৩ সালে, তাতে ভয়্যারিজম আর স্টকিং-কেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করা হয়েছে। এই ভয়্যারিজম আর স্টকিং-এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই ঋষি রাজ সিং বলছেন, কোনো নারীর দিকে তাকানোটাই অপরাধ।
অথচ আইনে বলা হয়েছে- কোনো নারীকে যদি কেউ লুকিয়ে লক্ষ্য করেন, অথবা ছবি তোলেন, বা ছবি তুলে তৃতীয় ব্যক্তিকে দিয়ে দেন অথবা সরাসরি কিংবা বৈদ্যুতিন মাধ্যমে পিছু করতে থাকেন, সেগুলো আইনের এই দুটি নতুন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। খুব স্পষ্ট করেই আইনে বলা রয়েছে যে, ঠিক কোন কোন কাজ এই দুটি ধারার অধীনে আসবে।

কেরালার ওই পুলিশ কর্মকর্তারা ব্যাখ্যা যেমন অসার বলে মনে হয়েছে কেরল রাজ্যের মন্ত্রী ই পি জয়রাজনের, তেমনই এই ব্যাখ্যাকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করছেন কলকাতা হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ভারতী মুৎসুদ্দিও।
তার কথায়, ‘ভয়্যারিজম আর স্টকিং-এর ব্যাপারটা যুক্ত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাই বলে কোনো নারীর দিকে কোনো পুরুষ তাকালেই সেটা অপরাধ হয় নাকি! তাও আবার ১৪ সেকেন্ড! এই সময়ের ব্যাপারটা উনি কোথায় পেলেন? আইনের এরকম ভুল ব্যাখ্যা করলে তো আসল উদ্দেশ্যটাই নষ্ট হয়ে যাবে।’
সেদিনের ভাষণ মঞ্চে উপস্থিত মন্ত্রী জয়রাজন বলেছেন, ‘ওঁরতো এ বিষয়ে মন্তব্য করারই কথা নয়। উনি তো আবগারি দফতরের অফিসার। এই বিষয়টা আমি আবগারি মন্ত্রীর নজরে আনব।’
কেরালার ওই পুলিশ কর্মকর্তা অবশ্য এর আগেও বিতর্ক তৈরি করেছেন।
কখনো মন্ত্রীকে স্যালুট করতে অস্বীকার করা, অথবা সহকর্মীরা ঠিকমতো উর্দি না পড়ে আসায় তাদের ওপরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠার ঘটনাও ঘটিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

তবে রাজনৈতিক নেতা হোন বা আইনভঙ্গকারী সাধারণ নাগরিক- ঋষি রাজ সিংয়ের হাতে পড়লে ছাড়া পাওয়া মুশকিল। কঠোর পুলিশ অফিসার বলে তার পরিচিতি আছে মানুষের মধ্যে।

<>








আপনার মন্তব্য লিখুনঃ