ভিডিওটি একটি বার দেখার অনুরোধ করছি , নিজেকে কন্ট্রোলঃ এই মানুষ যেমন সৃষ্টির সেরা জীব। কিন্তু সেই মানুষ এমন সব নিকৃষ্ট কাজ করে যে মানুষকে পশু বলতেও ঘৃনা হয়। আবার এই মানুষের মধ্যেই এমন অনেক ভালো মানুষ আছে। যাইহোক

আজকের ভিডিওটি তেমনই এক ভালো মানুষকে নিয়ে যিনি তার সন্তানদের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। বাবা সন্তানদের জন্য সব কিছু করতে পারে এটাই সর্বজন স্বীকৃত। কিন্তু এই লোকটি যা করেছে তা কারো সাথে তুলনা করা যাবে না। ভিডিওতে দেখুন।

ভিডটী দেখতে নিচে ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ

হঠাৎ লিফট ছিড়ে গেলে কীভাবে বাঁচবেন – জেনে রাখুন বিপদে কাজে লাগবে।

দুর্ঘটনার হাত থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয় কেউ। লিফট দুর্ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যাওয়ার মতো ভয়ংকর দুর্ঘটনার ঘটতে পারে যে কোনো সময়।

যদিও লিফট ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা খুব বেশি ঘটে না, কিন্তু একেবারেই যে ঘটে না বা ঘটবে না তা কিন্তু নয়। তাই জেনে রাখা ভালো, লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যেতে থাকলে কীভাবে বাঁচাবেন নিজেকে।

১. লাফ দেবেন না

প্রথমত আপনি যখন ফ্রি স্টাইলে নিচে পড়ে যেতে থাকবেন, তখন লাফ দেওয়ার চেষ্টা করাটা খুবই কঠিন। দ্বিতীয়ত লাফালাফি করলে লিফট আরো বেশি গতিতে আছড়ে পড়বে।

তৃতীয়ত আপনার শরীরের কোনো অংশ পতিত হবে তা এর মাধ্যমে আগেভাগে নির্ধারণ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। বরং লাফের কারণে আপনি মাথায় আঘাত পেতে পারেন এবং খুব খারাপভাবে আপনার শরীর আছড়ে পড়তে পারে।

২. সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন না

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাটা খুব ভালো ধারণা নয়। কারণ পতনের সময় শরীরের ওজনের ১০ গুণ ওজন এসে ভর করে পায়ে। যা খুবই গুরুতর জখম হওয়ার কারণ হতে পারে।

৩. সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল

মাস্যাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারের গবেষক ইলিয়ট এইচ ফ্রাঙ্কের মতে, লিফট যখন পড়ে যেতে থাকবে তখন যত দ্রুত সম্ভব চিৎ হয়ে দুই হাত ও পা ছড়িয়ে লিফটের মেঝেতে শুয়ে পড়া একমাত্র নিরাপদ কৌশল। এতে আপনার শরীরের সেরা অংশগুলোতে শক্তি ছড়িয়ে পড়বে।

এবং এর ফলে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে অন্য কোনো অংশের তুলনায় বেশি ওজন বিরাজ করবে না। নিচে পড়ার আঘাত শরীরের সব অংশে সমানভাবে ছড়ে যাবে বলে ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে কম আঘাত লাগবে।

তবে সত্যিকার অর্থে এটা বাঁচার একটা চেষ্টা করা মাত্র, জখম তো হতেই পারে, তবে গুরুতর জখম থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কৌশল অবলম্বন করা।

৪. লিফটে বেশি মানুষ থাকলে করণীয়

এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো যেটা করতে পারেন তা হচ্ছে, লিফটের মেঝেতে বসে পড়া। আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে অস্থিতে যে পরিমাণ চাপ পড়তো তার তুলনায় অস্থিতে কম চাপ পড়বে এ পজিশনে।

যদি বসে পড়ার মতো জায়গা না থাকে, তাহলে অন্তত চেষ্টা করুন হাঁটু বাঁকা করে রাখতে, এটিও পায়ের বল কমাতে কিছুটা সাহায্য করবে।
মিলনের আগে মহিলারা কী করেন, যা স্বীকার করতে চান না? জানলে চমকে উঠবেন।

মিলনের মতো স্বতঃস্ফূর্ত একটি প্রক্রিয়ার আগে অধিকাংশ মহিলাই বেশ কয়েকটি কাজ করে থাকেন, অথচ প্রকাশ্যে স্বীকার করেন না।

এর মধ্যে কতগুলি কাজ রয়েছে, সেগুলি তাঁরা অভ্যাসবশত করেন। আবার কতগুলি কাজ তাঁরা স্বাস্থ্য রক্ষার্থে করে থাকেন। কী সেই কাজগুলি, আজ জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।

ব্রা ও পেন্টি
মহিলাদের মধ্যে অনেকেই স্বীকার করেছেন যে, মিলনের পরিকল্পনা থাকলে তাঁরা পুরুষসঙ্গীকে উত্তেজিত করতে ব্রা বা পেন্টি খানিক দেখানোর চেষ্টা করেন। সরাসরি মুখে না বললেও ব্রা বা পেন্টি দেখিয়ে পুরুষসঙ্গীকে নিজেদের দিকে টেনে আনার চেষ্টায় কোনও কসুর করেন না।

মহিলারা আরও বলছেন, ‘স্পেশ্যাল দিনে চেষ্টা করি সেই সব ব্রা বা পেন্টি পরতে, যেগুলি অন্যদিনের তুলনায় একটি বেশি খোলা মেলা।’

পরিচ্ছন্নতা
অধিকাংশ মহিলাই যৌন মিলনের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকতে পছন্দ করেন। ঘনিষ্ঠ হওয়ার আগে স্নান করা, গোপনাঙ্গ পরিষ্কার করা- এসবই মহিলারা নিয়মমাফিক করে থাকেন। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী এক মহিলা বলছেন, ‘সেক্সের আগে সাফসুতরো থাকাটা শুধুমাত্র পছন্দের জন্য নয়, এটা শরীরের জন্যও ভাল।

’ওয়াক্সিং
নিজেকে আকর্ষক দেখতে লাগুক, এমনটা কোন মহিলা চান না শুনি? তাই ঘনিষ্ঠ হওয়ার আগে নিজেদের হাত, পা-সহ অন্যান্য অঙ্গের অতিরিক্ত রোম পরিষ্কার করে নেন মহিলারা। একজন বলছেন, ‘আমার হাত বা পায়ে যখন আমার সঙ্গী হাত দেবে, আমি চাই না সেখানে কোনও রোম থাকুক।’

সাফসুতরো শয্যা
অনেক মহিলাই মনে করেন, পূর্ণাঙ্গ মিলনের জন্য শয্যা ও বেডরুম ঝকঝকে, তকতকে থাকা জরুরি। ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে নাকে জঞ্জালের দুর্গন্ধ এসে লাগুক বা সিলিংয়ে ময়লা থাকুক-এমনটা চান না মহিলারা। তাই মিলনের আগে নিজের শয্যা ও অানুষঙ্গিক জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতেই তাঁরা পছন্দ করেন।

মিউজিক
মহিলাদের মধ্যে একটা বড় অংশই মনে করেন যে উত্তেজনার শিখরে পৌঁছতে ভাল মিউজিক সবসময় সাহায্য করে। তাই পুরুষসঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময় ঘরে হালকা ভলিউমে মিষ্টি কোনও গান বা যন্ত্রসঙ্গীত বাজুক- এমনটাই চান মহিলারা।

পারফিউম
মহিলারা বলছেন, ‘আমি চাই যেন আমার পার্টনার আমার পারফিউমের গন্ধে ডুবে যাক। তাই আমি সেক্সের আগে সবসময় দামি ফ্রেঞ্চ পারফিউম ব্যবহার করি।’

সুরক্ষা (কনডম)
আর সবশেষে কিন্তু সবচেয়ে জরুরি যে জিনিসটি মহিলারা কখনই ভোলেন না, সেটা হল মিলনের আগে সুরক্ষার কথা। অধিকাংশ মহিলাই এটা মেনে নিয়েছেন, যে পার্টনার না চাইলেও তাঁরা মিলনের সময় সবরকম সুরক্ষাবিধি মেনে চলতেই পছন্দ করেন।

<>








আপনার মন্তব্য লিখুনঃ